ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১

জাহিনটেক্সে ১৫৯ কোটি টাকার ভূয়া মজুদ পণ্য

২০২৫ ফেব্রুয়ারি ২৩ ০৯:২০:০৭
জাহিনটেক্সে ১৫৯ কোটি টাকার ভূয়া মজুদ পণ্য

অর্থ বাণিজ্য প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ধংসের দ্ধারপ্রান্তে থাকা জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর ধরে অনেক টাকার মজুদ পণ্য দেখিয়ে আসছে। যা কোম্পানিটির পণ্য বিক্রির থেকেও কয়েকগুণ বেশি। তবে নিরীক্ষক ওই মজুদ পণ্যের সত্যতা পায়নি।

নিরীক্ষক জানিয়েছেন, এ কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আর্থিক হিসাবে ১৫৯ কোটি ২৩ লাখ টাকার মজুদ পণ্য দেখিয়েছে। তবে ওই মজুদ পণ্যের সত্যতা পায়নি নিরীক্ষক।

এদিকে কোম্পানিটিতে ওই মজুদ পণ্য বিক্রির চেয়ে ৩.৯৮ গুণের বেশি বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক। যা কয়েক বছর ধরে দেখিয়ে আসছে। বছরের পর বছর মজুদ পণ্য এভাবে জমে থাকায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরী হয়েছে। এছাড়া এতো মজুদ পণ্য জমার কারনে নগদ ও চলতি মূলধনের সংকটেরও ঝুঁকি তৈরী হয়েছে। একইসঙ্গে মজুদ পণ্য জমা করে রাখায় খরচ বাড়ছে।

নিরীক্ষক জানিয়েছে, জাহিনটেক্স কর্তৃপক্ষ ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার রিভ্যালুয়েশন সারপ্লাস সংরক্ষিত মুনাফায় (রিটেইন আর্নিংস) স্থানান্তর করেছে। যা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড-১৬ অনুযায়ি করা হয়নি।

আরও পড়ুন...

কোটি কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি : ব্যবসা টিকিয়ে রাখা নিয়ে শঙ্কা

এ কোম্পানিটিতে ওয়ার্কার্স প্রফিট পার্টিসিপেশন ফান্ড (ডব্লিউপিপিএফ) গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরীক্ষক। কিন্তু আইন অনুযায়ি ওই ফান্ড পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়নি।

জাহিনটেক্স এর ২০১৭ সালে ৭৪ লাখ ৩৯ হাজার বোনাস শেয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসে (আরজেএসসি) আইন অনুযায়ি ওই বোনাস বিতরনের তথ্য প্রদান করেনি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া জাহিনটেক্সের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৮১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর (উদ্যোক্তা/পরিচালক ব্যতিত) বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৬৩.০৬ শতাংশ। কোম্পানিটির শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শেয়ার দর দাঁড়িয়েছে ৫.২০ টাকায়।

পাঠকের মতামত:

শেয়ারবাজার এর সর্বশেষ খবর

শেয়ারবাজার - এর সব খবর



রে